সৌরেন কাজাকিস্তানের একটা প্রাচীন শহর তবে ধ্বংসপ্রাপ্ত শহর। উত্তর দিকে মরুপ্রায় তৃণভূমি আর দক্ষিনে পাহাড় থেকে নেমে আসা বরফ গলা পানির সম্ভাবনাময় শস্য ক্ষেত্র। এ দুয়ের মাঝে সৌরেন এর অবস্থান। তাই এখানে মানব সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। তৃণভূমিতে বাস করত যাযাবর। ঘোড়া পোষ মানানোর জন্য তাদের গতি ছিল দুর্বার। ধাতু আবিষ্কারের জন্য তাদের তীর ছিল তীক্ষ্ণ। তৃণভূমির আমিষ খাদ্য তাদের পেশী কে করেছিল শক্তিশালী। দক্ষিণের স্থায়ী বাসিন্দা বাঁধন এর মাধ্যমে তাদের জীবনের স্বাচ্ছন্দ এনেছিল তাই যাযাবরের মতো তাদের যুদ্ধাংদেহী মনোভাব, তাদের স্বভাব ছিল না। ওই স্বভাবের মানুষদের তাদেরকে যুঝতে হতো। তাই শহরের চারপাশে পানি ভর্তি পরীখা আর দেয়াল দিতে হয়েছিল। এরপর সিল্করুট আবিষ্কার হাওয়ায় মানুষের আনাগোনা, আয়ের রাস্তা খুলে দিল। গরমের দিনে প্রচন্ড গরম শীতে প্রচন্ড শীত তাই গড়ে উঠল মাটির ঘর। কিন্তু মানুষ অগ্রগতি চায় আবিষ্কার করল শিল্প মৃৎশিল্প টেরাকোটা শিল্প, তাতেও সন্তুষ্ট নয় তাই শুরু করলো পোড়ামাটির শিল্প। এরপর শুরু হলো চিনা মাটির শিল্পের। এখান থেকেই রপ্তানি হতো বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সমাধির জন্য, উপাসনালয়ের জন্য, শাসকদের প্রাসাদের জন্য। আজ এখানে এর কিছুই নেই। তবু আছে এসবের সাক্ষী। এখানে জন্ম নেওয়া কিছুক্ষণ ও পুরুষের কথা। আল মুকাদ্দাসী, রশিদ আল দীন, ইবনে বতুতা, ফা হিয়েন, হিউয়েন সাং এর লেখা।
Share this post



