প্রতিবছর যে ৪০ লক্ষ শিশু জন্মে তার মধ্যে আমরা বড়জোর ১০ লক্ষ চাকরি সৃষ্টি হয়। বাকি ৩০ লক্ষকে উদ্যোক্তা হিসেবেহিসেবে গড়ে তুলতে পারি। সেজন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। শিক্ষা সমাপ্তির দিকে তাদেরকে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়। আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি পুঁজি যোগানোর জন্য সাহস ও উৎসাহ দেওয়া যায়। এই তিনের সমন্বয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগেই প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে উদ্যোক্তার মন মানসিকতা তৈরি করা যায়। আরও উচ্চতর সুযোগ সৃষ্টির জন্য প্রতিটি প্রতিটি জেলায় একটি করে enterpreneur ইনস্টিটিউট স্থাপন করা যেতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে পুরনো জেলাগুলোতে এই প্রতিষ্ঠানের করা যায়। সাময়িকভাবে যুব প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কে ব্যবহার করা যায়। আইটি প্রশিক্ষণের জন্য উপজেলায় মাধ্যমিক আইটি প্রশিক্ষণ এর স্থাপনা ব্যবহার করা যায়। এভাবে ধীরে ধীরে অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান দিয়ে এসব প্রশিক্ষণের উৎকর্ষ সাধন করা যেতে পারে।


