বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে এক সময়ে তালের আটি খাওয়ার খুবই প্রচলন ছিল। এখনো যে নেই তা না। তবে এই পলিসি সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
তাল খাওয়ার পরপরই যদি কেটে খেতে চান তবে শক্ত এবং hemicellulose হাওয়ায় খেতে পারবেন না। কাটাও বেশ ঝকমারি। কিন্তু কিছুদিন রেখে দেন, বর্ষাকাল আসুক দেখবেন তা থেকে ‘গজ’ গজাচ্ছে, শুধু বাইরে না ভিতরেও। আর দুই তালের আটির মাঝে কেন্নসহ অনেক জীবজন্ত। এতো গেল গ্রামের ব্যাপার। ততদিনে আঠি নরম হয়ে গেছে কেটে খাওয়া খুবই সোজা।
দেশ বা স্থানীয় কোন সমস্যা দেখা দিলে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান না করে ফেলে রাখলে অনেক সময় উপকারী। তা থেকে অনেক নতুন নতুন জিনিস তৈরি হয়। অনেকে তার সুবিধা পেতে পারেন। মজা লুটতে পারেন। তাই কিছু জিনিস দেরিতে করলেই ভালো। যেমন কোথাও মারামারি হলে। মারামারি শেষে যদি পুলিশ যায়। আহত-নিহতদের ধরে যদি হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। কিছু arrest হয়, মামলা হয়। উকিল নিয়োগ হয়। তাহলে অনেক কাজের অপরচুনিটি, job opperchunity, মানি circulation ইত্যাদি ইত্যাদি জিডিপিতে contribute করে।
আবার এমন বিষয় আছে তাৎক্ষণিক সমাধান করলে প্রতিক্রিয়া হয়। সমাধান দীর্ঘস্থায়ী হয় না। কিন্তু মানুষদের , ঠেকিয়ে, শিখিয়ে, ধীরেসুস্থে দেরিতে সমাধান করলে টেকসই হয়। ‘Delayed decision’.
তাই আমি বলছি ‘তালের আঠি policy’।



