পায়ের নমনীয় পেশীকে সুরক্ষিত করার জন্য মোজা পরা হয়। এমন এক সময় ছিল মানুষ সচারাচার মোজা পড়তো না। প্লাস্টিকের জুতা পরতো। পা বারবার প্লাস্টিকের জুতোয় কাটতে কাটতে শক্ত হয়ে যেতো।
এখন প্রায় সবাই মোজা পারেন। মোজার ভেতর পা ঢুকিয়ে দেন। পায়ে কোন ব্যাথা লাগে না। অর্থাৎ কাজটা সমাধা হয়। সামান্য চাপ প্রয়োগ করতে হয়। মোজা ছিড়ে যায় না। অর্থাৎ ঝামেলা ছাড়াই কাজটা সমাধা হয়।
আমরা অনেক কিছুই জোর করে করতে চাই। বুঝিয়ে-সুজিয়ে সলে সলে করতে চাইনা। ফলে যা হবার তাই হয়। মোজা ছিড়ে যায় কিংবা পায়ে ব্যথা পায়।
আগে বলতে শুনেছি পুরুষের পাজরের হাড় দিয়ে নারীর সৃষ্টি। এখন মানুষের ছড়াছড়ি লাশের ছড়াছড়ি। তাই হাড়গোড় গুনতে কোন অসুবিধা নাই। গুনে দেখা যায় পুরুষের পাঁজরের যে কয়টি হাড় মেয়েদের পাজরে সেই কয়টা হাড়। বাস গোল বেধে গেল। ব্যাখ্যায় কোন অসুবিধা নাই। পাঁজরের হাড় বাঁকা। খুবই নমনীয়। ব্যাখ্যা এল পুরুষের পাঁজরের হাড় দিয়ে তৈরি হয়েছে তা ঠিক না। বিষয়টা হচ্ছে স্ত্রীর সাথে, মহিলাদের সাথে জোরাজুরি করোনা, খারাপ ব্যবহার করো না। বিগড়ে যাবে। পাঁজরের হাড়ের মত, ভেঙেও যেতে পারে।
জনসাধারণের সাথে একই রকম ব্যবহার করুন। শক্তি প্রয়োগ করবেন না। এক সময় বিগড়ে যাবে। ভেঙে যাবে। আপনার কাজে আসবে না।
নুতন বিমানবন্দর করার সময় কয়েকজনের বক্তব্য শুনে। আমার উদ্ভাবন বাসনা জেগেছিল।
তাই আপনাদের বললাম ‘মোজা পলিসি’ পরিহার করুন।



