নিম্নবর্গের প্রাণী লক্ষ লক্ষ ডিম বা বাচ্চা দেয়। প্রকৃতির পরিবেশে বড় হয়ে উঠতে তাদের একটা বিরাট অংশ ধ্বংস হয়ে গেলেও সংখ্যার দিক দিয়ে অনেক টিকে থাকে। উচ্চতর বর্গের প্রাণী অপেক্ষাকৃত বড় সময়ের ব্যবধানে কমসংখ্যক বাচ্চা দেয়। তাই তাদেরকে টিকিয়ে রাখার জন্য কোচিং প্রয়োজন হয়। তাই আমরা দেখি হাতির বাচ্চা কাদার ভেতর আটকে গেলে হাতি তাকে সুর দিয়ে তুলে আনে না। বরং উঠে আসতে সাহায্য করে। এটি এক ধরনের কোচিং।
মানুষ আরো উন্নত জীবন। মানুষ সৃষ্টির পর থেকেই কোন না কোনভাবে কোচিং করে আসছে। প্রথমে মা বাবা এরপর পরিবারের সদস্য, এরপর গোত্রের অন্যান্য লোকজন কাছে কোচিং করা শুরু করেছে। শিক্ষা যখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে তখন শিক্ষকের বাড়ি গিয়ে কোচিং এ অংশগ্রহণ করেছে। এমনকি শিক্ষকের বাড়িতে বসবাস শুরু করেছে। শিক্ষায় অংশগ্রহণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষকের বাড়ি শিক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির সহায়ক না হওয়ায় সুনির্দিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রয়োজন হয়েছে, তখন থেকে কোচিংয়ের ধরনের পরিবর্তন এসেছে। তাই বলা যায় মানুষ সৃষ্টির প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত কোচিং আছে এবং থাকবে। কালে কালে কোচিংয়ে পরিবর্তন এসেছে, বৈচিত্র্য এসেছে। তবে সেই কোচিং কতটা ফলপ্রসূ সেটি বিবেচ্য বিষয়। মানসম্পন্ন কিনা সেটি শিক্ষা ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিতরা দেখভাল করবেন এটাই প্রত্যাশা। এর যখন ব্যত্যয় ঘটে তখন লেখালেখি বলাবলি আলোচনা সমালোচনা হয়। যা আমাদের দেশে এখন হচ্ছে। শিক্ষার চাহিদা ব্যাপক বিস্তৃত হওয়ায়, সব স্তরের মানুষের শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে অনুধাবন করার কারণে এত ব্যাপক সমালোচনা। আমি মনে করি এটি আমাদের দেশের জন্য, জাতির জন্য মঙ্গল। এই আলোচনা-সমালোচনায় আমরা একটা সমাধানে পৌঁছাতে পারবো এটাই প্রত্যাশা। তবে এটা নিশ্চিত করে বলা যায় এই সমাধান সতত পরিবর্তনশীল, খাপ খাইয়ে নেওয়ার বিষয়।
আহমদ একরাম এনাম ২০ নভেম্বর ২০১১ এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছেন “শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনায় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই মূলত কোচিং সেন্টার ব্যবস্থার জন্ম। কিন্তু ক্রমশ তা লাভজনক ব্যবসায়িক চিন্তাচেতনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এর অন্যতম কারণ শিক্ষকদের দুর্বল বেতন কাঠামো।”
তাহলে আমাদের শিক্ষকদের উচ্চ বেতন দিলেই কোচিং সেন্টার বন্ধ হয়ে যাবে ? নিবন্ধ উল্লেখ করা হয়েছে বর্তমানে কোচিং ভয়াবহ। কিন্তু আমরা যদি শিক্ষকদের বেতন পর্যালোচনা করি তাহলে দেখব অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে শিক্ষকদের বেতনের নিশ্চয়তা আছে। বেতন কাঠামো আগের তুলনায় ভালো। হয়তো বলবেন এখনো অনেকে বিনা বেতনে কাজ করছে।
কোচিং সেন্টার নিয়ে বিস্তর আলাপ-আলোচনা একটা বড় কারন। মানসম্মত শিক্ষার চাহিদা ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। সর্বস্তরের অভিভাবক তার শিশুর শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য কোচিং সেন্টারে পাঠিয়ে থাকেন। বিদ্যালয় থেকে ফিরে এ কোচিং সেন্টার থেকে ও কোচিং সেন্টার করতে করতে দিন শেষ। কোচিং সেন্টার সম্পর্কে reservation থাকলেও অভিভাবকরা শিশুকে কোচিং সেন্টারে পাঠান। কিন্তু বিদ্যালয় তুলনায় কোচিং সেন্টারে প্রশিক্ষণহীন কোচ কোচিং করিয়ে থাকেন। তা সত্বেও এর কদর কমেনি। কেন কমেনি তা ভাববার বিষয়। আমাদের দেশে তো আর গবেষণা হয়নি। তাই যে যার মতো তার ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে দেন। যারা কোন একটা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ স্বনামধন্য। এই বিষয় সম্পর্কে তাদের বাস্তব কোন জ্ঞান না থাকলেও তাদের কথাই সবাই মান্য করেন। আসলে কোচিং সেন্টার এক ধরনের ব্যবসা। তবে ব্যবসা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাস করানো। সবাই বলে সরকার আইন করে কোচিং বন্ধ করা। কিন্তু কেউ বলে না যে তার অভিভাবককে কোচিং সেন্টারে পাঠাবেন না। এ অন্যের ঘাড়ে দায়িত্ব সপে দেওয়া। বাস্তবসম্মত হোক আর না হোক সেটা বড় কথা না দায়িত্বটা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া।
ভালো কলেজে ভর্তির জন্য কোচিং করানো হতো। এ বিষয়টির সমাধানে আমি হাত দিয়েছিলাম। অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা করেছি। এখন কেউ কলেজে ভর্তির জন্য কোচিং এ যায় না। ভর্তির জন্য কোন তদবির করতে হয় না। ssc result অনুযায়ী বিভিন্ন কলেজে placement হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে প্রচুর হইচই অনেক বাধা-বিপত্তি। মাঝে একবছর উল্টোটা চেষ্টা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আবার সেই অনলাইনে ভর্তির পথেই থাকতে হয়েছে। যারা আমাকে দোষারোপ করেছিল এখন এই পদ্ধতিটা তাদের নিজের আবিস্কার বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। নেপোলিয়ান বোনাপার্টের কথা victory has got many fathers defeat has none.
কোচিং এর পক্ষে অনেক কথা বলার আছে। আমাদের দেশে স্কুলে কন্টাকটার খুবই কম। অর্থাৎ শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীরা খুব কম সময়ে থাকেন। তাই শেখার জন্য খুব কম সময় পান। অন্যদিকে ছুটিছাটা খুব বেশি থাকে। বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৮০ থেকে ১৮৫ দিনের বেশি ক্লাস হয় না। আমাদের শিক্ষার্থীদের পড়ার অভ্যাসও খুব কম। পড়ার সুযোগ খুব কম। স্কুল লাইব্রেরি school সময়ে খোলা থাকলে সেখানে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। ইস্কুল সময়ের বাইরে লাইব্রেরীগুলো তালাবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে পাড়ায় পাড়ায় library নেই তাই পড়ার সুযোগ সীমিত। পড়ার অভ্যাস করাতে হলে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের দেশে বই কেনার অভ্যাস কম। তাই বুক সবগুলো খুব ছোট। আমরা প্রতিবছর যত শিশু জন্ম দিই ফিনল্যান্ড বা নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যা তার সমান। তার সত্ত্বেও তাদের দেশের bookshop আমাদের তুলনায় অনেক অনেক গুন বড়। তাদের লেখকের সংখ্যা অনেক বেশি পাবলিকেশন্স তো অবশ্যই।
ডিফেন্স কোচিং:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর অফিসার পদে চাকরি পেতে ভর্তি পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করে এমন কতগুলো কোচিং সেন্টার রয়েছে ঢাকায়। ঢাকার এমন কয়েকটি কোচিং সেন্টার হল ডিফেন্স গাইড কোচিং, কর্নেল একাডেমী কোচিং সেন্টার, ইউনিটি ডিফেন্স কোচিং, ভয়েজ ইত্যাদি।
মেডিকেল ভর্তি কোচিং:
মেডিকেল ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের যথাযথ গাইড লাইন দিয়ে যথাযথ ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সহায়তা করার লক্ষ্যে বেশ কতগুলো কোচিং সেন্টার রয়েছে। এসকল কোচিং সেন্টার গুলোর মধ্যে কয়েকটি মেডিকেলের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচিংও করিয়ে থাকে। ঢাকায় মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার গুলো হল রেটিনা, ওমেকা, প্রাইমেট, থ্রি ডক্টরস, ফেইম, মেডিকো ইত্যাদি।
বিশেষ কোচিং:
IELTS, স্পোকেন, রাইটিং, ফোনেটিক্স, বেসিক ইংলিশ, বিজনেস ইংলিশ, ক্যাডেট ভর্তি কোচিং ও বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখানো কোর্স সহ কম্পিউটার কোর্স করিয়ে থাকে এরকম বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। এদের মধ্যে এফএম মেথড, সাইফুরস, মেনটরস, ফাস্ট ফরওয়ার্ড, জুম, গ্লোবাল, গ্রান্ড ইংলিশ, ল্যাংগুয়েজ ওয়ার্ল্ড, অবজার্ভ, লীডার, দি ক্যাডেট কোচিং অন্যান্য।
সংখ্যাও পরিসংখ্যান অনুযায়ী অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভালো। এমনও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে সরকারি টাকা না নিলেও নিজস্ব টাকায় ভালো বেতন দেন। অতীতে কখনোই ছিল না বলা যায়। বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান endowment fund অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক ভালো।
বেতন বাড়িয়ে দিলে যদি কোচিং বন্ধ হয়ে যায় তবে সরকারি অফিসে বেতন কাঠামো অনেক ভালো হওয়া সত্বেও উপরি চালু আছে কেন ? বেতন বাড়িয়ে দিলে দুর্নীতি দমন বিভাগের কোন প্রয়োজন নেই ? আজ যদি কোন কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণ করা হয় পরদিনই কি তার মান দ্বিগুণ হয়ে যাবে ? সে দ্বিগুণ সেবা দিতে সক্ষম হবে ? সেবার মান বেড়ে যাবে ? নাকি কয়েক মাস পরে বলবে এই বাড়তি আমার পাওনা ছিল এতদিন আমাকে বঞ্চিত করা হয়েছে ? ব্যবস্থাপনায় একটা থিওরি আছে যাকে হার্জবার্গ motivation theory বলা হয় এই থিওরী অনুযায়ী। একটা পর্যায়ের পর বেতন motivating factor না বরং হাইজিন factor. ধরুন টাকাটি dettol, আপনি ডেটল দিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস করলে আপনার যক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা কম। কিন্তু যক্ষা হয়ে গেলে আপনি dettol ব্যারেল এর ভিতর ডুবে থাকলে আপনার যক্ষা সারবে কি ? অর্থাৎ টাকা বাড়িয়ে দিলে মানুষ motivated হয়না, দুর্নীতি বন্ধ করে না। আরো অন্য motivating উপাদান এর সাথে জড়িত।
ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত অনুকূল হলেই কি শিক্ষার্থীদের কোচিং সেন্টারে পাঠাবেন না ?
অনেক লেখক লিখেছেন ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি হয় তাদের প্রতি মনোযোগ দেওয়া যায় না। ক্লাসে সময় অনেক কম তাই কোন বিষয়ে ভালো করে বুঝিয়ে দেওয়া যায় না। সে কারণে শিক্ষার্থীদের কোচিং এ যেতে হয়। কিন্তু ক্লাসের সারা পৃথিবীব্যাপী একই। তাহলে অন্যরা যদি এই সময়ের ভিতর বুঝিয়ে দিতে পারে আমাদের শিক্ষকরা কেন পারবেন না ? তাহলে এই যুক্তি ধোপে টেকেনা। আমরা পার্বত্য চট্টগ্রামের অনেক স্কুলে, গ্রামের অনেক স্কুলের দিকে লক্ষ্য করলে দেখবেন সেখানে শিক্ষক প্রতি ছাত্রের সংখ্যা ৩০ কোটায়, সেসব স্কুলের ফলাফল বাগানের দিকে লক্ষ্য করলে আমরা দেখব নিম্নমানের। অপরপক্ষে শহরাঞ্চলের বেশিরভাগ স্কুলের শিক্ষক প্রতি শিক্ষার্থীর সংখ্যা গ্রামের অনেকের স্কুলের তুলনায় অনেক বেশি। অথচ এসব স্কুলের ফলাফল এবং মান ভালো। তাহলে দেখা যাচ্ছে শিক্ষক সংখ্যা বাড়িয়ে দিলে হয়ে যাবে না।
কোচিং সেন্টার নিয়ে বিস্তর আলাপ-আলোচনা। শিক্ষার চাহিদা ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়েছে। সর্বস্তরের অভিভাবক তার শেষের শিক্ষাগত সাফল্যের জন্য কোচিং সেন্টারে পাঠিয়ে থাকেন। বিদ্যালয় থেকে ফিরে কোচিং সেন্টারও কোচিং সেন্টার acer এসার করতে দিন শেষ। কোচিং সেন্টার সম্পর্কে reservation থাকলেও তার শিশুকে কোচিং সেন্টারে পাঠানো। বিদ্যালয় তুলনায় কোচিং সেন্টারে প্রশিক্ষণহীন কচ প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। তা সত্বেও এর কদর কমেনি। কেন কমে নি তা ভাববার বিষয়। আমাদের দেশে তো আর গবেষণা হয়নি। যে যার মতো তার ব্যক্তিগত মতামত দিয়ে দেন। যারা কোন একটা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ স্বনামধন্য। এই বিষয় সম্পর্কে তাদের বাস্তব কোন জ্ঞান না থাকলেও তাদের কথাই সবাই মান্য করেন। আসলে কোচিং সেন্টার এক ধরনের ব্যবসা। তবে ব্যবসা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাস করানো। সবাই বলে সরকার আইন করে কোচিং বন্ধ করা। কিন্তু কেউ বলে না যে তার অভিভাবককে কোচিং সেন্টারে পাঠাবেন না। এজন্য ঘাড়ে দায়িত্ব সপে দেওয়া। হল কি হোক বা না হোক সেটা বড় কথা না দায়িত্বটা অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া।
ভালো কলেজে ভর্তির জন্য কোচিং করানো হতো। এ বিষয়টির সমাধানে আমি হাত দিয়েছিলাম। অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা করেছি। এখন কেউ কলেজে ভর্তির জন্য কোচিং এ যায় না। ভর্তির জন্য কোন তদবির করতে হয় না। ssc result অনুযায়ী বিভিন্ন কলেজে placement হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রথমে প্রচুর হইচই অনেক বাধা-বিপত্তি। মাঝে একবছর উল্টোটা চেষ্টা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আবার সেই অনলাইনে ভর্তির পথেই থাকতে হয়েছে। যারা আমাকে দোষারোপ করেছিল এখন এই পদ্ধতিটা তাদের নিজের আবিস্কার বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। নেপোলিয়ান বোনাপার্টের কথা victory has got many fathers defeat has none.
কোচিং এর পক্ষে অনেক কথা বলার আছে। আমাদের দেশে স্কুলে কন্টাকটার খুবই কম। অর্থাৎ শিক্ষকদের সাথে শিক্ষার্থীরা খুব কম সময়ে থাকেন। তাই শেখার জন্য খুব কম সময় পান। অন্যদিকে ছুটিছাটা খুব বেশি থাকে। বছরে ৩৬৫ দিনের মধ্যে ১৮০ থেকে ১৮৫ দিনের বেশি ক্লাস হয় না। আমাদের শিক্ষার্থীদের পড়ার অভ্যাসও খুব কম। পড়ার সুযোগ খুব কম। স্কুল লাইব্রেরি school সময়ে খোলা থাকলে সেখানে পড়ার কোনো সুযোগ নেই। ইস্কুল সময়ের বাইরে লাইব্রেরীগুলো তালাবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে পাড়ায় পাড়ায় library নাই তাই সুযোগ নেই। পড়ার অভ্যাস করাতে হলে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের দেশে বই কেনার অভ্যাস কম। তাই বুক সবগুলো খুব ছোট। আমরা প্রতিবছর যত শিশু জন্ম দিই ফিনল্যান্ড বা নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যা তার সমান। তার সত্ত্বেও তাদের দেশের bookshop আমাদের তুলনায় অনেক অনেক গুন বড়। তাদের লেখকের সংখ্যা অনেক বেশি পাবলিকেশন্স তো অবশ্যই।
ডিফেন্স কোচিং:
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর অফিসার পদে চাকরি পেতে ভর্তি পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করে এমন কতগুলো কোচিং সেন্টার রয়েছে ঢাকায়। ঢাকার এমন কয়েকটি কোচিং সেন্টার হল ডিফেন্স গাইড কোচিং, কর্নেল একাডেমী কোচিং সেন্টার, ইউনিটি ডিফেন্স কোচিং, ভয়েজ ইত্যাদি।
মেডিকেল ভর্তি কোচিং:
মেডিকেল ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের যথাযথ গাইড লাইন দিয়ে যথাযথ ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে সহায়তা করার লক্ষ্যে বেশ কতগুলো কোচিং সেন্টার রয়েছে। এসকল কোচিং সেন্টার গুলোর মধ্যে কয়েকটি মেডিকেলের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচিংও করিয়ে থাকে। ঢাকায় মেডিকেল ভর্তি কোচিং সেন্টার গুলো হল রেটিনা, ওমেকা, প্রাইমেট, থ্রি ডক্টরস, ফেইম, মেডিকো ইত্যাদি।
বিশেষ কোচিং:
IELTS, স্পোকেন, রাইটিং, ফোনেটিক্স, বেসিক ইংলিশ, বিজনেস ইংলিশ, ক্যাডেট ভর্তি কোচিং ও বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখানো কোর্স সহ কম্পিউটার কোর্স করিয়ে থাকে এরকম বেশ কয়েকটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। এদের মধ্যে এফএম মেথড, সাইফুরস, মেনটরস, ফাস্ট ফরওয়ার্ড, জুম, গ্লোবাল, গ্রান্ড ইংলিশ, ল্যাংগুয়েজ ওয়ার্ল্ড, অবজার্ভ, লীডার, দি ক্যাডেট কোচিং অন্যান্য।







