শিক্ষাজীবন শেষে সরকারি-বেসরকারি যাই হোক না কেন চাকরির খোঁজ করেন। প্রতিবছর যে ৪০ লক্ষ শিশু জন্মায় তার একটা ক্ষুদ্র অংশ চাকরির পাওয়ার সার্টিফিকেটের যোগ্যতা অর্জন করেন। কিন্তু প্রতিবছর এ দের জন্য চাকরির সেই পরিমাণ পদ সৃষ্টি হয় না। তাই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা অসদুপায় অবলম্বন ইত্যাদির মাধ্যমে চাকরির মত সোনার হরিণ পাওয়ার চেষ্টা করেন। দেখ যে ক্ষুদ্রাংশ চাকরি পান তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে দেখা যাবে তারাও চাকরির সুযোগ সুবিধায় সন্তুষ্ট না। তারা যা পান তার চেয়েও বেশি কিছু আশা করেন।
যারা চাকরি দেন তারা চাকরিপ্রার্থীদের কে কাজে লাগিয়ে আশানুরূপ ফল পেতে চান। তাদের তাদের কাছে যদি জিজ্ঞাসা করেন তাহলে তারা বলবে শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে চাকরির জন্য উপযুক্ত হয়ে বের হচ্ছে না। কথাটা একারণে সত্যিই যে চাকরির বিশাল ক্ষেত্র, সকল ক্ষেত্রে জন্য একজন শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করে দেয়া সম্ভব না। কারণ শিক্ষা জীবনের জন্য সাধারন প্রস্তুতি। বিশ্বাস প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ। আর বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োজনীয়তা প্রশ্নাতীত। তবে সাধারণভাবে চাকরিদাতারা যা প্রত্যাশা করেন তা’র কিছু বিষয় চাকরিপ্রার্থী তথাতথা শিক্ষার্থী অবশ্যই রপ্ত করতে হবে। আর সেজন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া যেতে পারে। প্রথম ধাপে উপজেলা পর্যায়ে, দ্বিতীয় ধাপে ইউনিয়ন পর্যায়ে, শেষ ধাপে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রশিক্ষণের সক্ষমতা গড়ে তোলা যায়। তার করা গেলে শিক্ষা শেষে চাকরিপ্রার্থীরা স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের জন্য সুনাম বয়ে আনবে। প্রতিটি মানুষের উৎপাদন ক্ষমতা বহুগুণে বেড়ে যাবে দ্রুতগতিতে উন্নত দেশের গন্তব্যে ধাবিত হতে পারব।


