অন্য অনেকের মতো আমি-
এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছি,
এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছি,
অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি,
এম এস সি পরীক্ষা দিয়েছি-
এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষায় অনেক মানুষ পরীক্ষার হলের ভেতরে ঢোকেন। আমাদের সময় শিক্ষক এবং ম্যাজিস্ট্রেট ঢুকতেন। আমাদের আমলের পরীক্ষা দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনেকেই স্যান্ডেল পায়ে দিতেন। হলে স্যান্ডেল ঘষতে ঘষতে চলাফেরা করতেন, খসখস শব্দ হতো। অন্ততঃ আমার পরীক্ষার উত্তরপত্র লেখায় মনোযোগ নিবদ্ধ করা খুবই অসুবিধা হয়েছে। সেখান থেকে একটা অভিজ্ঞতার পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এমন কিছু করতে দেখিনি। তাদেরকে আমার যথেষ্ট সচেতন মনে হয়েছে। এছাড়া আরো লক্ষ্য করেছি পরীক্ষার্থীরা কারো দিকে তাকালে, কথা বললে, কিংবা খাতা দেখলে জোরেশোরে বলতে শুনেছি “এই ঐদিকে তাকাইস না”। এই ধরনের চিৎকার আমার খুবই অসুবিধা হয়েছে। এখন হয়তো অনেক পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে একই অবস্থা থাকতে পারে। তবে যে উৎপাত আমাদের সময় ছিল না, এমন নতুন কিছু এখন দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে হলের ভিতরে ঢোকা এবং পোজ দেয়া। যদিও বেশিক্ষণ থাকে না। কিন্তু পরীক্ষা শুরুতেই, প্রশ্ন দেয়ার পরপরই এ কাজটি করা হয়। পরীক্ষা শুরুর দিন বহু জায়গায় এ কাজটি হয়। এটি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই অসুবিধাজনক বলে আমার মনে হয়। তাই আমি নিজে ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন সময়ে ব্যতীত কখনোই পরীক্ষা হলে ঢুকি না। তবে দু-একটি ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতনরা পীড়াপীড়ি করেছে। তখন দরজার ভিতর দিকে গিয়ে আদেশ পালন করেছি। কিন্তু মনের ভিতর একটা ক্ষত থেকে গেছে।
আমার মতো শিক্ষার্থী যে অসুবিধা ভোগ করেছে, আমি চাইনা অন্যরা সেই অসুবিধা ভোগ করুক।


ঠিক বলেছেন স্যার
ধন্যবাদ।