বাংলাদেশে প্রতিবছর ৪০ লক্ষ শিশু জন্মে। এরমধ্যে প্রায় ৩৫ লাখ প্রাথমিক স্কুলে ভর্তি হয়। ৩০ লক্ষ প্রাথমিক স্কুলের গণ্ডি পার হয়।। ২৫ লক্ষ নিন্ম-মাধ্যমিক স্কুলের সার্টিফিকেট পায়। ১৫ লক্ষ মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পাশ করে। ১০ লক্ষ উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে। তিন লক্ষ উচ্চশিক্ষার জন্য যায়।
এখন চাকরির বাজার দেখি। ১৫ লক্ষ সরকারি পদ আছে তাই প্রতি বছর সরকারি ক্ষেত্রে মাত্র ৫০ হাজার চাকরি সৃষ্টি করতে পারে। এই পদসংখ্যা বড়জোর ২০ লক্ষ করা যেতে পারে। আমাদের গার্মেন্টসে ৪০ লক্ষ মানুষ কাজ করে। এরা গড়ে জনপ্রতি ২০ বছরের বেশি কাজ করতে পারে না। সেই হিসাবে প্রতি বছর আড়াই লক্ষ নতুন চাকরি সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের সকল ইন্ডাস্ট্রি এবং বেসরকারি খাত বড়জোর ৭ লক্ষ চাকরির সৃষ্টি করতে পারে। সব মিলে মোট ১০ লাখ চাকরি সৃষ্টি হয়। ৪০ লক্ষ শিশুর মধ্যে ১০ লাখের চাকরি সৃষ্টি হল। বাকি ৩০ লাখের কি হবে? আপনি বলবেন বাকিরা কৃষিকাজ, ছদ্ম বেকার বা বেকার থাকে। প্রকৃত অর্থে কেউ বেকার থাকে না কিছুনা কিছু করে।
এখন অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের অসুবিধা নেই। দরকার সুন্দর একটি জীবন। তার জন্য শিক্ষা দরকার। স্বাস্থ্য দরকার। দরকার লাইফস্টাইল। এসবের জন্য আয় অর্থাৎ অর্থ দরকার। কিভাবে চাকরির সৃষ্টি করা যায় ? সরকারি-বেসরকারি শিল্প-কলকারখানা অফিস-আদালত সবখানেই পদের সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু আপনার সামনে তাকিয়ে দেখুন একটা মানুষ, একটা পরিবার, একটা সমাজ, একটা রাষ্ট্র, পৃথিবীর মানুষের জীবন পরিচালনার জন্য হাজার-লক্ষ ধরণের পণ্য, আইডিয়া দরকার হয়। কে এসব যোগান দেবে? মনে হতে পারে অনেকে আছে, তারাইতো তৈরি করছে। আমার এখানে কোন কিছু তৈরি করার কোনো স্কোপ নেই। কিন্তু ডেমান্সাড-সাপ্লাই থিওরির বাইরে আর একটি থিওরি আছে সেটি সে’জ ‘ল ‘সাপ্লাই ক্রিয়েটস্ ইটস ওন ডেমান্ড’।
এমন অনেক জিনিস আছে ১০ বছর আগে সেটার অস্তিত্ব ছিল না, আজ অতি প্রয়োজনীয়। ভেবে দেখুন আগামী দিনগুলোতেও এমন অনেক জিনিস প্রয়োজন হবে যা আজকে নেই। কে সেটা তৈরি করবেন? আপনি সেটা তৈরি করবেন। আপনাকে কে দিয়ে তৈরি করা সম্ভব। আপনি মাত্র একটা জিনিস তৈরি করবেন। কিংবা একটা জিনিস তৈরির একটা উপাদান তৈরি করবেন। কোন একটা জিনিস তৈরি করতে শত শত এমনকি হাজার হাজার উপাদানের দরকার হতে পারে।আপনি তার যেকোন একটার অংশীদার হোন। আপনি একজন উদ্যোক্তা হন। তা হতে হলে আপনাকে ছোটবেলা থেকেই মানসিকতা তৈরি করতে হবে। চাকরি করার মানসিকতা র বদলে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরীর পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এবং তা শিক্ষালয় থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা থেকে শুরু করতে হবে। তাই আমাদের শিক্ষার লক্ষ্যকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে উদ্যোক্তা তৈরীর লক্ষ্য সেট করতে হবে। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা, আর্থিক সামর্থ্যতা, নেটওয়ার্ক ক্ষমতা, ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি বিবেচনায় এনে এক এক জন একেক ধরনের উদ্যোক্তা হতে পারেন। এভাবে বাংলাদেশে প্রতি বছর জন্মানো ৪০ লক্ষ শিশুর প্রত্যেককে সুন্দর জীবন দেওয়া সম্ভব, প্রত্যেকে শিশুকাল থেকে উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশকে পৃথিবীর ফ্যাক্টরিতে পরিণত করার সম্ভব, বাংলাদেশকে পৃথিবীর আইডিয়ার সূতিকাগার করা সম্ভব। এভাবে প্রতিটি শিশু প্রতিটি নাগরিকে উদ্যোক্তা বানানো সম্ভব। আপনার সন্তানকে সচিব করতে চান, সেনাবাহিনীর জেনারেল করতে চান, মেডিকেল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর করতে চান, ভালো কথা, ভেবে দেখুন, আপনার ছেলে বা মেয়ে যদি প্রানের মতো, এপেক্সের মতো, বে’র মত, স্কয়ারের মতো কোম্পানি সৃষ্টি করতে পারে তারা কি উনাদের চেয়ে কম?
এখন চাকরির বাজার দেখি। ১৫ লক্ষ সরকারি পদ আছে তাই প্রতি বছর সরকারি ক্ষেত্রে মাত্র ৫০ হাজার চাকরি সৃষ্টি করতে পারে। এই পদসংখ্যা বড়জোর ২০ লক্ষ করা যেতে পারে। আমাদের গার্মেন্টসে ৪০ লক্ষ মানুষ কাজ করে। এরা গড়ে জনপ্রতি ২০ বছরের বেশি কাজ করতে পারে না। সেই হিসাবে প্রতি বছর আড়াই লক্ষ নতুন চাকরি সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের সকল ইন্ডাস্ট্রি এবং বেসরকারি খাত বড়জোর ৭ লক্ষ চাকরির সৃষ্টি করতে পারে। সব মিলে মোট ১০ লাখ চাকরি সৃষ্টি হয়। ৪০ লক্ষ শিশুর মধ্যে ১০ লাখের চাকরি সৃষ্টি হল। বাকি ৩০ লাখের কি হবে? আপনি বলবেন বাকিরা কৃষিকাজ, ছদ্ম বেকার বা বেকার থাকে। প্রকৃত অর্থে কেউ বেকার থাকে না কিছুনা কিছু করে।
এখন অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের অসুবিধা নেই। দরকার সুন্দর একটি জীবন। তার জন্য শিক্ষা দরকার। স্বাস্থ্য দরকার। দরকার লাইফস্টাইল। এসবের জন্য আয় অর্থাৎ অর্থ দরকার। কিভাবে চাকরির সৃষ্টি করা যায় ? সরকারি-বেসরকারি শিল্প-কলকারখানা অফিস-আদালত সবখানেই পদের সীমাবদ্ধতা আছে। কিন্তু আপনার সামনে তাকিয়ে দেখুন একটা মানুষ, একটা পরিবার, একটা সমাজ, একটা রাষ্ট্র, পৃথিবীর মানুষের জীবন পরিচালনার জন্য হাজার-লক্ষ ধরণের পণ্য, আইডিয়া দরকার হয়। কে এসব যোগান দেবে? মনে হতে পারে অনেকে আছে, তারাইতো তৈরি করছে। আমার এখানে কোন কিছু তৈরি করার কোনো স্কোপ নেই। কিন্তু ডেমান্সাড-সাপ্লাই থিওরির বাইরে আর একটি থিওরি আছে সেটি সে’জ ‘ল ‘সাপ্লাই ক্রিয়েটস্ ইটস ওন ডেমান্ড’।
এমন অনেক জিনিস আছে ১০ বছর আগে সেটার অস্তিত্ব ছিল না, আজ অতি প্রয়োজনীয়। ভেবে দেখুন আগামী দিনগুলোতেও এমন অনেক জিনিস প্রয়োজন হবে যা আজকে নেই। কে সেটা তৈরি করবেন? আপনি সেটা তৈরি করবেন। আপনাকে কে দিয়ে তৈরি করা সম্ভব। আপনি মাত্র একটা জিনিস তৈরি করবেন। কিংবা একটা জিনিস তৈরির একটা উপাদান তৈরি করবেন। কোন একটা জিনিস তৈরি করতে শত শত এমনকি হাজার হাজার উপাদানের দরকার হতে পারে।আপনি তার যেকোন একটার অংশীদার হোন। আপনি একজন উদ্যোক্তা হন। তা হতে হলে আপনাকে ছোটবেলা থেকেই মানসিকতা তৈরি করতে হবে। চাকরি করার মানসিকতা র বদলে উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরীর পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এবং তা শিক্ষালয় থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসা থেকে শুরু করতে হবে। তাই আমাদের শিক্ষার লক্ষ্যকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে উদ্যোক্তা তৈরীর লক্ষ্য সেট করতে হবে। শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞতা, আর্থিক সামর্থ্যতা, নেটওয়ার্ক ক্ষমতা, ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ইত্যাদি বিবেচনায় এনে এক এক জন একেক ধরনের উদ্যোক্তা হতে পারেন। এভাবে বাংলাদেশে প্রতি বছর জন্মানো ৪০ লক্ষ শিশুর প্রত্যেককে সুন্দর জীবন দেওয়া সম্ভব, প্রত্যেকে শিশুকাল থেকে উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে তোলা সম্ভব। বাংলাদেশকে পৃথিবীর ফ্যাক্টরিতে পরিণত করার সম্ভব, বাংলাদেশকে পৃথিবীর আইডিয়ার সূতিকাগার করা সম্ভব। এভাবে প্রতিটি শিশু প্রতিটি নাগরিকে উদ্যোক্তা বানানো সম্ভব। আপনার সন্তানকে সচিব করতে চান, সেনাবাহিনীর জেনারেল করতে চান, মেডিকেল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর করতে চান, ভালো কথা, ভেবে দেখুন, আপনার ছেলে বা মেয়ে যদি প্রানের মতো, এপেক্সের মতো, বে’র মত, স্কয়ারের মতো কোম্পানি সৃষ্টি করতে পারে তারা কি উনাদের চেয়ে কম?



